গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মানববন্ধন

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) ভবনের সামনের চত্বরে মানববন্ধন করেছেন বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা।

সোমবার (৯ জুলাই) দুপুরে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের ‘সংগঠনের গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন-সুপ্রিম কোর্ট’ ইউনিটের ব্যানারে শতাধিক আইনজীবী এ কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সম্প্রতি দেশে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন আইনজীবীরা।

সংগঠনের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, সংগঠনের চেয়ারম্যান তৈমূর আলম খন্দকার, মহাসচিব এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, বিকল্প ধারার মহাসচিব শাহ আহমেদ বাদল, কো-চেয়ারম্যান আবেদ রাজা, সুপ্রীম কোর্ট ইউনিটের সম্পাদক আইয়ুব আলী আশরাফী, সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আনিছুর রহমান খান, কো-চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, ড. ওয়াছিলুদ্দিন বাবু, নাছির উদ্দিন খান সম্রাট, রাশেদা আলিম ঐশী, নাহিদ সুলতানা, মো. কামাল হোসেন, মনির হোসেন, আবদুল মতিন মন্ডল, ব্যারিস্টার আবিদুল হক, শেখ আবদুস সালাম, মো. শাফিউর রহমান শাফি, মুকতার হোসেন, ব্যারিস্টার উজ্জল, রোকনুজ্জামান সিজা, আবুল খায়ের খান, মো. ইমদাদ, মেজবাহুল হক টুটুল, আল আমীন, আসাদুর রহমান রায়ন, মোখলেছুর রহমান প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।

তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবীদের আন্দোলন চলবে। এই স্বৈরাচার সরকার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিসহ যে সিদ্ধান্ত নেবে তার বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করব। আমরা দেশের সব বারের আইনজীবীদের সাথে কথা বলেছি। অবিলম্বে আমরা আইনজীবীদের নিয়ে একটি মহাসমাবেশ করব। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আমরা সবাই মাঠে নামব।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ঘরে ঘরে মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এতে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি পাবে এবং নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যসহ সব কিছুর দাম বেড়ে যাবে।

অবিলম্বে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, বর্তমানে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়া অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। যাতে জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসে।

Facebook Comments