মামলার রায়ে ঈশ্বরদীতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলার মামলায় আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা নিয়ে ঈশ্বরদীতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। কেউ কেউ বলছেন, এই রায় ন্যায়বিচারের একটা উদাহরণ। আবার অনেকেই, বিশেষ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে কেউ কেউ মনে করেন, বিএনপির তৎকালীন সংসদ সদস্য কিংবা কেন্দ্রীয় নেতারা মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেই বড় ভুল করেছিলেন।

১৯৯৪ সালের ওই মামলায় গত বুধবার রায় দেন আদালত। তাতে ৯ জনকে ফাঁসি, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছে, এই রায়ের জন্য বিএনপির তৎকালীন সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদারসহ স্থানীয় নেতারা দায়ী। তাঁরা অভিযোগ করেন, মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা না করে আদালতে বিচারের আওতায় নিয়ে গেলে হয়তো মৃত্যুদণ্ড কিংবা যাবজ্জীবনের মতো শাস্তি হতো না। কিন্তু সেই সময় দলীয় কোন্দল এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাবে তা সম্ভব হয়নি।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল বারী সরদার বলেন, ‘এ রায় বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রত্যাশা করেনি। এটি প্রসহনের রায়। তবে বিএনপির দূরদর্শিতার অভাবে এত দিন ধরে মামলাটি চলেছে।’

এ ব্যাপারে কথা বলতে বিএনপির তৎকালীন সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়, তবে তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments