তারেক রহমানকে আ. লীগ ভয় পায়”:ইশরাক

রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি দিয়ে দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি আওয়ামী লীগ। তারেক রহমানকে আওয়ামী লীগ ভয় পায় বলেই মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে দেশে আসতে দিচ্ছে না।

শনিবার (৭ মার্চ) দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৪তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর এই কথা বলেন।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ৭ই মার্চ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৪তম কারাবন্দি দিবস। ২০০৭ সালের বিভীষিকাময় এই কালরাতেই কোনো ওয়ারেন্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই গ্রেফতার করা হয় জনপ্রিয় এই রাজনীতিককে।

১/১১-এর জরুরি অবস্থাকালীন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মূল টার্গেট হন দেশনায়ক তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি দিয়ে দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি আওয়ামী লীগ। তারেক রহমানকে আওয়ামী লীগ ভয় পায় বলেই মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে দেশে আসতে দিচ্ছে না।

আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন বলেন, তারেক রহমানকে গ্রেফতারের পর পুলিশ রিমান্ড ও কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নির্মম নির্যাতনের মধ্যে একটানা ১৮ মাস কারাগারে থাকতে হয়। ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহিংসায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নিষ্ঠুর নির্যাতনে তারেক রহমানের মেরুদন্ড ভেঙে দেয়া হয়। ১/১১ সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারাদেশে শতাধিক মামলা দায়ের করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে চারদলীয় জোট বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় ২০০১ সালের নির্বাচনে। তিন দেশব্যাপী দলের মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সাথে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেন। তারেক রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে গভীর সেতুবন্ধন নির্মাণ করতে তৃণমূল সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে একটি সুসংঘবদ্ধ বিএনপি গড়ে ওঠে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি এম এ আজিজ, মো. আলী, নাজিমুর রহমান, হারুন জামান, যুগ্ম সম্পাদক আর আউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম মন্জু, কামরুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম (ডক) ইসহাক চৌধুরী আলিম, শেখ নূর উল্লাহ বাহার ও সহ সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী।

দিবসটি উপলক্ষে দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রাহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। শহীদ জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এহসানুল হক।

Facebook Comments